Sun. Apr 5th, 2020

প্রতিবাদঃ আচ্ছা বাংলাদেশটা যেন কোথায়? ট্রাম্প। এটি মিথ্যা সংবাদ প্রচার করেছে আনন্দবাজার ডট কম

বাংলাদেশে ভাইরাল হওয়া ইউএস প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এর নির্যাতিত বিভিন্ন ধর্মাবলম্বিদের স্বাক্ষাতকারের ভিডিওটি বিশ্বে আলোচিত সমালোচিত হচ্ছে। আজ তারই পরিপেক্ষিতে আনন্দবাজার ডট কম নামে একটি অনলাইন পত্রিকা বাংলাদেশকে হেলা করে একটি সংবাদ ছাপিয়েছে। হেডলাইনটি ছিল এইরকম যে, ” আচ্ছা বাংলাদেশটা যেন কোথায়? ফের ট্রাম্পের হতচকিত বিশ্ব” আচ্ছা বাংলাদেশটা যেন কোথায়? এই ধরনের প্রশ্ন উক্ত অনুস্টানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কাউকে করেননি। এই মিথ্যা সংবাদের ব্যাপারে তিব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আপনারা যারা এই খবর ছাপিয়েছেন তাদেরকে বলছি আপনারা ঐ ভিডিওটি আর একবার ভাল করে দেখে নিবেন আর ইংরেজি না বুঝলে দুভাষি নিয়ে নিবেন। প্রিয়া সাহার বক্তব্যের মাঝখানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শুধু একবার বাংলাদেশ বলে উচ্চারণ করেছেন, প্রিয়া সাহা উত্তরে বলেছেন ইয়েস, তারপর প্রিয়া সাহা তার অভিযোগ গুলি কন্টিনিউ করেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বাংলাদেশকে চিনেন বিধায় বাংলাদেশ উচ্চাররণ করেছেন তিনি বলেননি যে, Where is Bangladesh? দ্বিতীয় পর্যায় বাংলাদেশে রুহিঙ্গা রিফুজিদের ব্যাপারে রুহিঙ্গা প্রতিনিধি যখন বলেন, Mr. President, I’m a Ruhinga from Bangladesh refugee camp. So most of the refugee are willing to go back home as soon as possible. What is your plan to help us? তখন তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন (রুহিঙ্গা রিফুজি ক্যাম্প) Where is that exactly? তখন তার উপদেস্টা বলেছেন, Next to the Burma Rohinga Bangladesh refugee camp.

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প রুহিঙ্গা প্রতিনিধির সাথে কথা বলছেন।

আপনাদের সদয় অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, Phil Robertson, Deputy Asia Director, Human Rights Watch. তার টুইটার এ লিখেছেন হুবহু দেওয়া হলোঃ

This video raises the question of whether @realDonaldTrump even knows where #Myanmar is? When told about the #Rohingya, replies “where is that?” Umm, you know those people who faced crimes against humanity? Guess that was in the briefing book you didn’t bother to read, Donald.

এখানে Where is Bangladesh? কোথাও লেখা নেইঃ where #Myanmar is? আপনারা দয়া করে বাংলাদেশকে ছোট করে দেখবেন না। বাংলাদেশ আমেরিকা, ইউরোপ, ভারত সহ সারা বিশ্বে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার এর রপ্তানির ব্যাবসা করছে। সুতরাং সরকার প্রধান সহ ব্যবসায়িরা তাদের নিজের প্রয়োজনে বাংলাদেশকে চিনে কারন তাদের এখানে লেনদেন রয়েছে।

আনন্দবাজার ডট কম পত্রিকার খবরটি হুবহু দেওয়া হলোঃ

রোহিঙ্গা ও ইয়াজিদি মহিলাদের সমস্যা নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাত্ প্রতিনিধি দলের। ছবি সৌজন্য টুইটার।

গোটা বিশ্ব তাঁর অদ্ভুত আচরণ ও ভঙ্গির সঙ্গে পরিচিত। গত বুধবারও এ ভাবেই তাঁর স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গির সাক্ষী থাকল গোটা বিশ্ব। বৈঠকে বসে হঠাৎই প্রশ্ন করে বসেন, ‘‘আচ্ছা, বাংলাদেশটা যেন কোথায়?’’ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মুখে এমন প্রশ্ন শুনে হতচকিত হয়ে গিয়েছিলেন উপস্থিত সকলেই। তড়িঘড়ি পরিস্থিতি সামাল দেন তাঁর উপদেষ্টা। ট্রাম্পকে বলেন,  “মায়ানমারের ঠিক পাশেই যে দেশটি রয়েছে, সেটাই হল বাংলাদেশ।”  

রোহিঙ্গাদের এক প্রতিনিধি এবং নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী নাদিয়া মুরাদ ওই দিন মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন তাঁরই অফিসে। রোহিঙ্গারা কী ভাবে অত্যাচারিত হচ্ছে, আইএস জঙ্গিরা কী ভাবে ইরাকে ইয়াজিদি মহিলাদের বন্দি বানাচ্ছে— এ সব সমস্যার কথা জানিয়ে ট্রাম্পের সাহায্য চাইতে গিয়েছিল প্রতিনিধি দলটি।  রোহিঙ্গাদের হয়ে যিনি প্রতিনিধিত্ব করছিলেন তিনি ট্রাম্পকে বলেন, “ আমি বাংলাদেশের শরণার্থী ক্যাম্পের এক জন রোহিঙ্গা। শরণার্থীরা যত দ্রুত সম্ভব বাড়িতে ফিরতে চায়। এ ব্যাপারে কী ভাবে আমাদের সাহায্য করবেন আপনি?” তত্ক্ষণাত্ ট্রাম্প বলে ওঠেন, বাংলাদেশটা যেন কোথায়?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

হায়দার আলী | ঠাডা ইন্টারভিউ বরিশাইল্লা | Haydar Ali Comedy

ভালোবাসার দাম না দিলা | ঐশীর নতুন গান | Oyshee new song