Diabetes-Heart

If you do not understand Bengali please translate it in your language in google translate and it will be highly appreciated. It is so much important article for those who are suffering from Diabetes and heart diseases. You will have a lot of information about two of these diseases.

বাংলাদেশের জনগণ সবচেয়ে বেশী যে দুইটি রোগে আক্রান্ত ডায়াবেটিস ও হৃদরোগ সেই ২টি রোগ সম্পর্কে সচেতন মূলক প্রয়োজনীয় তথ্য গুলো দেওয়া হলো। রোগ মুক্ত থাকতে হলে শেষ পর্যন্ত আর্টিকেল ২টি পড়বেন এবং অন্য জনকে শেয়ার করবেন।

বহুমূত্র রোগ বা ডায়াবেটিস মেলিটাস

(ইংরেজি: Diabetes mellitus) একটি হরমোন সংশ্লিষ্ট রোগ। দেহযন্ত্রঅগ্ন্যাশয় যদি যথেষ্ট ইনসুলিন তৈরি করতে না পারে অথবা শরীর যদি উৎপন্ন ইনসুলিন ব্যবহারে ব্যর্থ হয়, তাহলে যে রোগ হয় তা হলো ‘ডায়াবেটিস’ বা ‘বহুমূত্র রোগ’। তখন রক্তে চিনি বা শকর্রার উপস্থিতিজনিত অসামঞ্জস্য দেখা দেয়। ইনসুলিনের ঘাটতিই হল এ রোগের মূল কথা। অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত হরমোন ইনসুলিন, যার সহায়তায় দেহের কোষগুলোরক্ত থেকে গ্লুকোজকে নিতে সমর্থ হয় এবং একে শক্তির জন্য ব্যবহার করতে পারে। ইনসুলিন উৎপাদন বা ইনসুলিনের কাজ করার ক্ষমতা-এর যেকোনো একটি বা দুটোই যদি না হয়, তাহলে রক্তে বাড়তে থাকে গ্লুকোজ। আর একে নিয়ন্ত্রণ না করা গেলে ঘটে নানা রকম জটিলতা, দেহের টিস্যু ও যন্ত্র বিকল হতে থাকে।

রোগ নির্ণয়

মানুষের রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ সাধারণত ৩.৩ থেকে ৬.৯ মিলি.মোল/লি আর খাবার পর <৭.৮ মিলি.মোল/লি। কিন্তু যদি গ্লুকোজের পরিমাণ অভুক্ত অবস্থায় ৭ মিলি.মোল/লি আর খাবার পর >১১ মিলি.মোল/লি পাওয়া যায়, তবে তার ডায়াবেটিস আছে বলে ধরে নেওয়া হয়।

ধরন

বহুমূত্র রোগ বা ডায়াবেটিস বললে সাধারাণতঃ ডায়াবেটিস মেলিটাস বোঝায়। তবে ডায়াবেটিস ইনসিপিডাস নামে আরেকটি রোগ আছে যাতে মূত্র উৎপাদন বেশি হয় কিন্তু তা ADH অ্যান্টি ডাইইউরেটিক হরমোন নামে অন্য একটি হর্মোনের উৎপাদনের অভাব বা ক্রিয়ার অভাবে হয়ে থাকে এবং মূত্রাধিক্য এবং তার জন্য অতিতৃষ্ণা এই দুটি উপসর্গের মিল ছাড়া এই রোগটির সঙ্গে “ডায়াবেটিস মেলাইটাস”-এর কোন সম্পর্ক নেই। এ দুটির মধ্যে ডায়াবেটিস মেলাইটাসের প্রকোপ অনেক বেশী। ডায়াবেটিস মেলাইটাস আবার দু’রকম হতে পারে। যথাঃ টাইপ-১ বা ইনস্যুলিন নির্ভরশীল এবং টাইপ-২ বা ইনস্যুলিন নিরপেক্ষ ডায়াবেটিস।

টাইপ-১

বহুমূত্র হল অটোইমিউন রোগ। এ রোগে অগ্ন্যাশয়ের ইনসুলিন নিঃসরণকারী কোষগুলো ধ্বংস হয়ে যায়। তাই যাদের টাইপ-১ হয়, এদের দেহে ইনসুলিন উৎপাদিত হয় খুবই কম। এ জন্য রোগীকে বেঁচে থাকার জন্য ইনসুলিন ইনজেকশন বা ইনসুলিন পাম্প নিতে হয়। শিশু ও তরুণদের মধ্যে এ ধরনের বহুমূত্র হয় বেশি। ১০-৩০ বছরের মধ্যে দেখা দেয়। ইহা মূলত জেনেটিক কারণে হয়ে থাকে। এর জন্য দায়ী হল HLADR 3 এবং HLADR 4 নামক দুটি জিন

টাইপ-১ কে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়

  • টাইপ-১-এ অটোইমিউনিটির জন্য বিটা কোষের ধংসের কারণে এই টাইপ-১-এ ডায়াবেটিস হয়ে থাকে ।
  • টাইপ-১-বি এটিও বিটা কোষের ধংসের কারণে হয়ে থাকে, কিন্তু এর সঠিক কারণ জানা যায়নি ।

(১) রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় (>130 mg/100ml)। (২) রক্তে ছিটোনো বডির পরিমাণ বৃদ্ধি পায় । (৩) মুত্রের মাধ্যমে গ্লুকোজের নির্গমন বা গ্লুকোসুরিযা হয়।

টাইপ-২

টাইপ-২ বহুমূত্র রোগের পেছনে থাকে মূলত ‘ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স’। টাইপ-২ রোগীরা শরীরে যে ইনসুলিন উৎপন্ন হয়, তাকে ব্যবহার করতে পারে না। ব্যায়াম ও খাদ্যবিধির সাহায্যে একে প্রথমে মোকাবিলা করা হয়। তবে অনেক সময় প্রয়োজন হয় মুখে খাওয়ার ওষুধ, এমনকি ইনসুলিন ইনজেকশন। ৪০ বছর বা তারপরে এ ধরনের বহুমূত্র রোগ দেখা দেয়। মিষ্টি ও মিষ্টিজাতীয় পানীয় টাইপ-২ এর ঝুঁকি বাড়ায়। খাবারে চর্বির ধরণও গুরুত্বপূর্ণ;স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও ট্রান্স-ফ্যাটি এসিড ঝুঁকি বাড়ায় পক্ষান্তরে পলি-আনস্যাচুরেটেড ও মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট ঝুঁকি কমায়। অত্যধিক পরিমাণ সাদা ভাত খাওয়াও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়। শারীরিক পরিশ্রম না করাও টাইপ-২ ডায়াবেটিসের অন্যতম একটা কারণ বিশ্বজুড়ে ২৪৬ মিলিয়ন ডায়াবেটিস রোগীর ৯০ শতাংশের বেশি হল টাইপ-২ ডায়াবেটিস। দুই ধরনের ডায়াবেটিসই গুরুতর এবং হতে পারে শিশু ও তরুণদেরও। এ জন্য ডায়াবেটিসের বিপদ-চিহ্নগুলো জানা খুবই প্রয়োজন। ‘মৃদু ডায়াবেটিস’ বলে কিন্তু কিছু নেই।

অন্যান্য ধরণ

নারীদের ক্ষেত্রে গর্ভাবস্থায় তৃতীয় এক প্রকার ডায়াবেটিস হয়ে থাকে। এটা জেস্টেশনাল ডায়াবেটিস নামেও পরিচিত।

সাধারণ লক্ষণাদি

  • ঘন ঘন প্রস্রাব। এ কারণে এ রোগটির নাম বহুমূত্র রোগ ;
  • অধিক তৃষ্ণা এবং মুখ শুকিয়ে যাওয়া ;
  • অতিশয় দুর্বলতা ;
  • সার্বক্ষণিক ক্ষুধা ;
  • স্বল্প সময়ে দেহের ওজন হ্রাস ;
  • চোখে ঝাপসা দেখা ;
  • ঘন ঘন সংক্রমণ।

বৈশিষ্ট্য ও বিভিন্ন জটিলতা

  • অতিরিক্ত মেদ এ রোগের অন্যতম কারণ ;
  • উপসর্গহীনতা বা অসচেতনতার কারণে চিকিৎসার অভাব ;
  • কিডনি বা বৃক্কের অক্ষমতার অন্যতম মূল কারণ ডায়াবেটিস ;
  • অন্ধত্ব বা দৃষ্টিবিচ্যূতির অন্যতম মূল কারণ ডায়াবেটিস ;
  • বিনা দুর্ঘটনায় অঙ্গচ্ছেদের অন্যতম মূল কারণ ডায়াবেটিস।

ডায়াবেটিসের চিকিৎসা

  • ইনসুলিন
  • অ্যান্টিডায়াবেটিক ঔষধ ( মুখে খাওয়ার ঔষধ )
  • জীবনধারার পরিবর্তন: নিয়মিত ব্যায়াম, খাদ্য গ্রহণে সচেতনতা, অসুখ সম্বন্ধে রোগীর প্রয়োজনীয় ধারণা।

 


হৃদরোগ

হৃদরোগহৃৎপিন্ড এবং রক্তবাহক (ধমনীশিরা ও কৈশিক জালিকা) সম্পর্কিত রোগ নিয়ে আলোচনা করে। 

প্রধানত হৃদসংবহন তন্ত্র, মস্তিষ্কবৃক্ক ও প্রান্তিক ধমনী সম্পর্কিত, রোগকে হৃদ রোগ বলে।[২] হৃদরোগের অনেক কারণ থাকতে পারে, তবে উচ্চ রক্তচাপ ও অ্যাথেরোসক্লোরোসিস প্রধান। পাশাপাশি, বয়সের সাথে সাথে হৃৎপিন্ডের গঠনগত ও শারীরবৃত্তিক পরিবর্তন হৃদরোগের জন্য অনেকাংশে দায়ী, যা স্বাস্থ্যবান ব্যক্তিরও হতে পারে।

১৯৭০ সালের পর উন্নত দেশে মৃত্যুহার কমে গগেলেও বিশ্বব্যাপি মৃত্যুর জন্য হৃদরোগ দায়ী।  একই সাথে, মধ্য ও স্বল্প আয়ের দেশগুলিতে হৃদরোগের সংখ্যা ও এর কারণে মৃত্যু দ্রুত হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। যদিও হৃদরোগ প্রাপ্ত ববয়স্কদের হয়, কিন্তু হৃদরোগের পূর্বাবস্থা অ্যাথেরোসক্লোরোসিস অনেক আগে থেকেই শুরু হয়। সেজন্যই পুষ্টিকর খাদ্য, শারীরিক পরিশ্রম, তামাক জাতীয় খাদ্য পরিহারের মাধ্যমে হৃদরোগ প্রতিরোধের উপর জোর দেওয়া হয়।

প্রকারভেদ

অনেক রকম হৃদ রোগ আছে। যেমনঃ

  • করোনারি হৃদ রোগ
  • কার্ডিও-মায়োপ্যাথি
  • উচ্চ রক্তচাপ জনিত হৃদ রোগ
  • হার্ট ফেইলর
  • কোর পালমোনাল (Core pulmonale)-হৃৎপিণ্ডের ডান পাশ অচল হয়ে যাওয়া, শ্বাস -প্রশ্বাস ব্যহত
  • কার্ডিয়াক ডিসরিদ্মিয়াস (Cardiac Disrhythmias)
  • ভালভুলার হৃদ রোগ
  • সেরেব্রোভাস্কুলার রোগ-মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহকারী রক্তবাহিকার অসুখ, যেমন স্ট্রোক
  • প্রান্তিক ধমনীর রোগ
  • জন্মগত হৃদ রোগ
  • রিউম্যাটিক হৃদ রোগ-বাতজ্বরের কারণে হৃদপেশি ও ভাল্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া।

ঝুকির কারণ

হৃদ রোগের জন্য অনেক কিছুই দায়ী : বয়স, লিঙ্গউচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ লিপিড, ডায়াবেটিস ম্যালাইটাস, ধূমপান, অতিরিক্ত অ্যালকোহল গ্রহণ, পারিবারিক ইতিহাস, স্থূলতা, স্বল্প শারীরিক পরিশ্রম এবং বায়ু দূষণ । এক এক এলাকার জন্যে এক এক কারণ দায়ী হলেও সামগ্রিকভাবে এরা সকলেই হৃদ রোগের কারণ। তবে জীবন যাপনের ধরন পরিবর্তন, সামাজিক পরিবর্তন, ঔষধ সেবন এবং ঊচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ লিপিড ও বহুমূত্র প্রতিরোধের মাধ্যমে হৃদ রোগের ঝুঁকি অনেকাংশে হ্রাস করা সম্ভব।

বয়স

হৃদরোগের পিছনে বয়স সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়। দেখা গিয়েছে, ৬৫ বছরের বেশি ব্যক্তিদের ৮২ শতাংশ হৃদরোগে মারা গিয়েছেন।একই সময়ে, ৫৫ বছরের পরে স্ট্রোক করার সম্ভাবনা দ্বিগুণ বেড়ে যায়।.

বয়স বৃদ্ধির সাথে হৃদরোগ কেন বেড়ে যায়, তার একাধিক ব্যাখ্যা প্রস্তাব করা হয়েছে। তার একটি সিরাম কোলেস্টেরল এর সাথে সম্পর্কযুক্ত।অধিকাংশ জনগোষ্ঠীতে বয়স বৃদ্ধির সাথে সিরাম কোলেস্টেরল মাত্রা বাড়ে। পুরুষদের ক্ষেত্রে ৪৫ থেকে ৫০ বছর এবং নারীদের ৬০ থেকে ৬৫ বছরের আগে নয়। 

বয়স রক্তবাহিকার গাত্রে গাঠনিক পরিবর্তন আনে, যার ফলে ধমনীর স্থিতিস্থাপকতা নষ্ট হয়, পরিণামে করোনারি ধমনী রোগ হয়।

লিঙ্গ

প্রজননে সক্ষম নারীর তুলনায় পুরুষদের হৃদরোগ হবার ঝুঁকি বেশি। প্রজননের সময়সীমা পার হয়ে গেলে, নারীদের হৃদরোগ হবার সম্ভাবনা পুরুষদের মতই। যদি কোন নারীর বহুমূত্র থাকে, তার হৃদরোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা বহুমূত্রে আক্রান্ত পুরুষের চেয়ে বেশি।

মধ্য বয়সী মানুষদের মধ্যে করোনারি হৃদরোগ নারীদের তুলনায় পুরুষদের ২ থেকে ৫ গুণ বেশি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক চালানো জরিপে দেখা যায়, হৃদরোগে মৃত্যুহার নির্ণয়ে লিঙ্গ নির্ধারণ প্রায় ৪০% পার্থক্য গড়ে দিতে পারে।  আরেকটি জরিপ প্রায় একই কথা বলে যে,লিঙ্গ বৈষম্য হৃদরোগের ঝুঁকির প্রায় অর্ধেকের সাথে সম্পর্কিত।

একটি ব্যাখ্যায় বলা হয়, হৃদরোগে লিঙ্গ বৈষম্যের কারণ হরমোন পার্থক্য।  নারীদের মধ্যে ইস্ট্রোজেন প্রধান সেক্স হরমোন। গ্লুকোজ বিপাকের দ্বারা ইস্ট্রোজেন প্রতিরক্ষাকারী প্রভাব বিস্তার করে। প্রজনন সময়ের পরে ইস্ট্রোজেন উৎপাদন হার কমে যায় এবং HDL কমায় ও LDL, কোলেস্টেরল বৃদ্ধি করে। .

বায়ু দূষণ

প্যাথোফিজিওলজি

জনসংখ্যা ভিত্তিক গবেষণায় দেখা যায়, অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস শৈশব থেকেই শুরু হ্য়, যা হৃদরোগের পূর্ব লক্ষণ। জনসংখ্যা ভিত্তিক গবেষণায় দেখা যায়, হৃদ রোগের পূর্বসূরী অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস শৈশব থেকেই শুরু হয়।

এটি বিবেচনায় রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে, অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিসের ফলে উদ্ভূত জটিলতায় প্রতি তিন জনে একজন মারা যায়। এটিকে প্রতিরোধ করার জন্য জনসাধারণের মাঝে শিক্ষা ও সচেতনতা গড়ে উঠানোর জন্য কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

স্থূলতা এবং ডায়াবেটিস ম্যালাইটাস হৃদরোগের সাথে সম্পর্কযুক্ত। এগুলি ক্রনিক কিডনি রোগের পূর্বলক্ষণও বটে।  প্রকৃতপক্ষে, ডায়াবেটিসের সাথে সম্পর্কযুক্ত হৃদ রোগ সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর কারণ।

লক্ষণ

হৃদরোগের সবচেয়ে সচরাচর উপসর্গ হলো বুক ব্যথা বা অস্বস্তি। তবে এটি সবসময় একমাত্র উপসর্গ নয়। অন্যান্য উপসর্গের মধ্যে রয়েছে শ্বাসকষ্ট, পাকস্থলির উপররের দিকে অসহনীয় ব্যাথা অনুভব করা, মাথা হালকা লাগা, শরীরের ওপরের অংশে যেমন—পিঠ, পেট, গলা, বাম বাহুতে ব্যাথা, ঘাড় বা চোয়ালে ব্যথা বা অস্বস্তি হতে পারে।

রোগতত্ত্ব

হৃদ রোগ মৃত্যুর প্রধান কারণ। ২০০৮ সালে ৩০% বৈশ্বিক মৃত্যুর জন্য হৃদ রোগ দায়ী। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত দেশের ৮০% বৈশ্বিক মৃত্যুর জন্য হৃদ রোগ দায়ী। এক সমীক্ষায় দেখা যায়,২০৩০ সালের মধ্যে প্রতি বছর হৃদ রোগে ২৩ মিলিওন মানুষ মারা যাবে।

 

উপদেশঃ

আপনারা যারা এই সমস্ত রোগে আক্রান্ত হয়েছেন তারা সকলেই কমবেশী জানেন যে, ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী রেগুলার ঔষধ সেবন করা, প্রাত্যহিক জীবনে চলাফেরায় শৃংখলায় থাকা এবং আধা ঘন্টা হাটা বা ব্যায়াম করা। এতে করে আপনি সুস্থ্য থাকবেন এবং বেশী দিন ভালভাবে নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে বসবাস করে বাকী জীবন কাটিয়ে দিতে পারবেন।