Sun. Apr 5th, 2020

মজার গল্প

উচ্চ বিলাশী নারী

সর্ট ফিল্ম, রচনাঃ আলম লিটন

১ম দৃশ্য (ড্রইং রুম), রিয়া  ও সবুজ।

রিয়াঃ তোমাকে ভালবেসে বিয়ে করেছি কিন্তু তুমি যে এত বলদা তা আমি আগে বুঝতে পারিনি, সব সময় তুমি তোমার মা বাবার কথা মত চল।

সবুজঃ বাবা মা মুরুব্বি মানুষ তাদের কথা তো শুনতেই হবে। তাছাড়া আমার মত সহজ সরল জামাই এই পৃথিবীতে ২য়টি আর পাবে না। তুমি তো আমাকে বলেছিলে যে আমি সহজ সরল তাই তুমি আমাকে বিয়ে করেছ।

রিয়াঃ হা তা বলেছিলাম কিন্তু এতটা বোকা তুমি তা ভাবিনি।

সবুজঃ আমি কি বোকামি করেছি? আমি যে তোমাকে এত ভালবাসি তা তুমি ভাবনি?

রিয়াঃ হা তা ভাবি, আমাকে তুমি অনেক  ভালবাস কিন্তু  বাস্তবতা হচ্ছে। সংসার চালাতে অনেক খরচ। আমাকে তুমি কোন খরচ দাও না। তুমি যা ইনকাম কর তা দিয়ে সংসার চলে না।

সবুজঃ আমি তো তুমাকে মাছ, মাংস তরিতরকারি বাজার সদাই সব কিছুই তো দিচ্ছি।

রিয়াঃ তুমি যা দাও আমি এগুলি খাইনা, পড়িনা, ব্যবহারও করিনা। আমি খাই ফাস্ট ফুড, চাইনিজ, ইটালিয়ান পিজ্জা, আমেরিকান বার্গার , বাংলাদেশের ইলিশ ও চিংড়ি মাছ। আমি ব্যবহার করি  বিদেশী প্রশাধনী ওয়েস্টার্ন ড্রেস।

সবুজঃ আমার যা ইনকাম এগুলি তো সবসময় দিতে পারবনা। ঈদে যখন বোনাস পাই তখন তোমাকে এই বিদেশী জিনিস গুলি কিনে দিব এবং রেষ্টুরেন্টে খাওয়াব।

রিয়াঃ আমি এই গুলির জন্য এক বৎসর অপেক্ষা করতে পারবনা এইগুলি আমি প্রতিদিন চাই। বুঝতে পেরেছ। ক্লিয়ার ।

সবুজঃ তা হলে তো আমার ঘোষ খাওয়া ও দূর্নীতি করা ছাড়া উপায় নাই।

রিয়াঃ তুমি কি করে টাকা আনবে তা আমি জানি না। কিন্তু এগুলি আমার চাই-ই-চাই। তাছাড়া তুমি আমাকে বিয়ের আগে বলেছিলে বিয়ের পর থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া ঘুরাতে নিয়ে যাবে কিন্তু বিয়ে আমাদের এক মাস হলো এখনো নিয়ে যাওনি। আমি এক সপ্তাহের মধ্যে বিদেশে বেড়াতে যেতে চাই এবং শপিং করে দিবে, নইলে আমি আর তোমার সাথে একদিন ও থাকবোনা।

সবুজঃ লক্ষী সোনা আমার রাগ করো না, আমি অবশ্যই তোমার চাহিদা মত জিনিস সাপ্লাই দিব এবং বিদেশে ভ্রমন করতে নিয়ে যাব। আমি এখন থেকে বাড়তি আয়ের ব্যবস্থা করবো কিন্তু তুমি আমাকে সৎ থাকতে দিবে না।

রিয়াঃ তুমি সৎ থাকবে নাকি অসৎ থাকবে তা আমার দেখার বিষয় না। আমার গাড়ি বাড়ি অর্থ সম্পদ ব্যাংক ব্যালেন্স চাই। নইলে আমি যেখানে এগুলি পাব সেখানে চলে যাব।

সবুজঃ কিন্তু আমাদের ভালবাসা বিয়ে সংসার সম্পর্ক এগুলির কি কোন মুল্য নেই।

রিয়াঃ অভাবের সংসারে ভালোবাসা রান্না ঘরের ছুট্ট জানালা দিয়ে পালিয়ে যায়। আমিও একদিন সেভাবে পালিয়ে যাব।

সবুজঃ তুমি খুব বেশি বাড়াবাড়ি করছো । আর একটা কথা বলবে না। চুপ করো। আমি বলছি তুমাকে সবকিছু এনে দিব।

রিয়াঃ মোল্লার দৌড় মসজিদ পর্যন্ত। যে ১মাসে কিছু এনে দিতে পারে না, সে ১বৎসরে ও এনে দিতে পারবে না। তোমাকে আমার চেনা হয়ে গেছে যে তুমি কি কচু এনে দিতে পারবে।

সবুজঃ চুপ কর বেঈমান। তুই খুব বেশি উচ্চ বিলাশী। আগে যদি জানতাম তুর মনে এই ছিল তাহলে তুকে আমি বিয়ে করতাম না।

রিয়াঃ উচ্চ সরে কথা বল বিনা। আমাকে লাঞ্ছিত করলে তুকে আমি পুলিশে দেব। আমাকে তুর বউ হিসেবে রাখার কোন যোগ্যতা নেই। তুর সংসারে লাথি মেরে চলে গেলাম।

সবুজঃ যা যা তুই আর কি হবি? সামীর ঘর ত্যাগ করে  খানকি ছাড়া কিছুই হতে পারবি না।

রিয়াঃ শুনে রাখ আমি খানকি হব নাকি রাজ রানী হবো সেটা আমার ব্যাপার তুকে চিন্তা করতে হবে না। হুম…। (জোরে প্রস্থান)

ডাক্তার এর চেম্বার

ডাঃ ; আপনাকে অনেক পরিক্ষা নীরিক্ষা করে দেখলাম আপনার কোন রোগ নাই

রোগীঃ রোগ নাই মানে আমার অবশ্যই রোগ আছে কারন আমার কোন কিছুই ভাল লাগে না

ডাঃ বাড়িতে যান, সব বাজে চিন্তা ছেড়ে দিন, খাওয়া-দাওয়া ও হাটাহাটি ঠিকমত করেন আশা করি ভাল হয়ে যাবেন।

রোগীঃ এই চিকিৎসা তো আমিই করতে পারি তাহলে আপনার কাছে আসলাম কেন

 ডাঃ আমার কাছে এসেছেন তো চিকিৎসা দিলাম, আপনি যেহেতু পারেন সেইটি করেন। নেক্সট পেসেন্ট প্লিজ

(২ জন মহিলা রুগি একসাথে ডুকে যাবে। ডাক্তারের নিরধারিত রুগীর চেয়ারে বসার জন্য চেস্টা করবে। ১জন অন্ন জন কে ধরে রাখবে চেয়ারে বসতে দিবে না )

১ম মেয়েঃ সার আমি অনেক দূর থেকে এসেছি। তাছারা ৫টার সময় একজনের সাথে দেখা করতে হবে। আমার হাতে আর ২০ মিনিট সময় আছে,  আমাকে আগে দেখুন সার।

ডাঃ হা দুই জনকেই  দেখব কিন্তু এক জন আগে অন্য জন পরে।

২য় মেয়েঃ না সার আমাকে আগে দেখুন ওনার হাতে আরও ২০ মিনিট সময় আছে, আমার কনো সময় নাই, আমার এমবি নাই ঠিক মত ফেইসবুকে চেট করতে পারছিনা।

ডাঃ তারাহুরা করবেন না, সবাই তার সময় এর জন্য ব্যাস্ত। তবে আমি একটি সমাধান দিতে পারি কাকে আগে দেখবো। আমি সবসময় সিনিয়রদের সম্মান করি। আপনাদের মধ্যে সিনিয়র কে?

১ম মেয়েঃ ও আচ্ছা সার আমি অনার ছেয়ে ছোট।

২য় মেয়েঃ আচ্ছা সার আপনি বলেন, আমাকে দেখতে কি উনার ছেয়ে ছোট মনে হয়? আমি মিনিমাম উনার ছেয়ে ৫ বৎসরের ছোট।

ডাঃ শুনেন… কে ছোট আর কে বড় বয়স নিয়ে ঝগড়া করবেন না। আমি ডাক্তার মানুষ ডেইলি আমার ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা ইনকাম। আমি বিয়ে করতে চাই। ৫০বড়ি সর্নের গহনা ছাড়াও ৩০ লক্ষ টাকার কাবিন নামায় লিখে দিব। আপনারা ২ জনেই সুন্দরি আপনাদের মধ্যে যে বয়সে বড় তাকেই আমি বিয়ে করব।

১ম মেয়েঃ উনি একটু আগে ঠিকই বলেছেন যে আমি তার ছেয়ে ৫ বৎসরের বড়।

২য় মেয়েঃ না সার আমি তার ছেয়ে ১০ বৎসরের বড়, আমাকে বিয়ে করেন প্লিজ।

ডাঃ আপনারা এখন ও কেউ সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি তাই আমি কাউকে বিয়ে করছি না নেক্সট পাসেন্ট প্লিজ।

মোবাইলে আসক্ত

রচনা ও পরিচালনাঃ আলম লিটন

১ম সিকোয়েন্সঃ

লোকেশনঃ একটি বাসার ড্রইং রুম

অভিনেতাঃ চাচা, ভাইস্তা, বাতাস, রুমকি

ভাইস্তঃ চাচা আপনি কোথায়? ও দরজার সামনে দারিয়ে আছেন। দারান একটু আমি আসছি।

ও চাচাজি আই এম সরি

চাচাঃ  সরি কইতে হইব না। তোর কলিং বেল এ টিপ তে টিপ্ তে আমার আঙ্গল বেথা হইয়া গেছে। কলিং বেল এর সুইস বাহিরে লাগাইছছ কেন ভিতরে লাগাইতে পারছ নাই।

ভাইস্তাঃ কলিং বেল এর সুইস ত বাহিরেই থাকব ভিতরে থাকলে ত আর টিপতে পারবেনা যারা আমাদের বাসাতে আসবে

চাচাঃ তুদের কলিং বেল এর সুইস বাহিরে রাইখা ত কোন লাভ নাই কারন আমি এক ঘন্টা যাবত টিপ্তাছি তুদের কোন সারাশব্দ নাই তাই বলছি এই কলিং বেল এর সুইস ঘরের ভিতরে লাগাইয়া তুরাই টিপ্তে থাক আমাগর লাগবনা আমরা দরজা থাপাইয়া ভাইঙ্গা পরে ডুকবাম বুছছস বেহুদা।

ভাইস্তাঃ চাচাজি এইবারের ম মাপ কইরা দেন।

চাচাঃ এই বেহুদার ঘরের বেহুদা আমারে কি এই দরজার সামনে সারাদিন দারা করাইয়া রাখবি নাকি ঘরের ভিতরে বসতে দিবি।

ভাইস্তাঃ আসেন চাচা ঘরের ভিতরে আসেন এখানে বসেন।

চাচাঃ এত বড় হয়েছিস এখন ও মানুশ হইতে পারিস নাই এখন ও বেহুদাই রয়ে গেছিস। কি করতে ছিলে এতক্ষন ঘরে বইসা বইসা।

ভাইস্তাঃ আমিত মোবাইলে আমার বন্ধুর সাথে কথা বলতে ছিলাম।

চাচাঃ ও এইজন্যই তুমি হাটকালা বয়ড়া ছিলা কিছু শুন নাই।

ভাইস্তাঃ হ চাচা তাই

চাচাঃ মোবাইলে দেশটারে খাইছে

ভাইস্তাঃ মোবাইল ত ভাল জিনিস মোবাইল ছারা কি এই ডিজিটাল যুগে মানুষ চলতে পারবে?

চাচাঃ তা অবশ্য টিকই কইছস তোর চাচি ত মোবাইল ছারা এক মিনিট ও থাকতে পারে না।

ভাইস্তাঃ ত চাচি কেমন আছেন?

চাচাঃ তুর চাচি ত দেশে নাই লন্ডন এ গেছে ছেলেরে দেখতে

ভাইস্তাঃ ও আচ্ছা তো আপনি গেলেন না লন্ডন এ ?

চাচাঃ আমি কি কইরা লন্ডনে যাই আমি তো ইংরেজি জানিনা

ভাইস্তাঃ চাচি কি ইংরেজি জানে সে যে লন্ডনে গেল

চাচাঃ তুর চাচি ইংরেজি বাংলা বেরছের লাগাইয়া একটু  কইতে পারে আরে সে তো বেশিদিন থাকবনা

সে তো লন্ডনের মাটিরে পারা দিয়া আবার বাংলার মাটিতে চলে আসবে। জাস্ট ছেলেরে একনজর দেখেই নিজঘরে চলে আসবে।

২য় সিকোয়েন্স  ড্রইং রুম

চাচাঃ ভাইস্তা অই ড্রইং রুম এ গলাগলি করে এই দুইজন কি করে

ভাইস্তাঃ চাচা ওরা দুইজন আমার বন্ধু একসাথে বসে মোবাইলে   গেইম খেলতাছে                                   

চাচাঃ মোবাইলে গেইম খেল্লেকি গলাগলি কইড়া খেলার নিয়ম আছে নাকি

ভাইস্তাঃ আরে না ওরা দুজন বন্ধু তাই একসাথে বসে খেলতাছে ফান করতাছে

চাচাঃ এইজন্য কি ছেলেমেয়ে দুইজন একসাথে বসে খেলবে আলাদা আলাদা বসে খেলতে পারে না

ভাইস্তাঃ এখানে ত আর কেও নাই তাই ফ্রি হয়ে খেলছে।

চাচাঃ তাই বুঝি… এই তুমরা দুইজন একসাথে কি করছ

রুমকিঃ উনি কে আকাশ

আকাশঃ উনি আমার  চাচা।

বাতাসঃ ও আচ্ছা আসসালামুয়ালাইকুম

চাচাঃ ওয়ালাইকুমাসসালাম  তুমরা মোবাইলে কি করছ দুই জনে একসাথে বসে

বাতাসঃ আমরা লেখা পড়া করছি

চাচাঃ মোবাইলে আবার লেখা পড়া করে কি করে

রুমকিঃ আজকাল ত আর লেখাপড়া করলে বই লাগে না গুগুলে সার্চ দিলে সব বই ইন্টারনেট এ পাওয়া যায়। ওখান থেকে আমরা পড়ছি।

চাচাঃ কি আজব দুনিয়া বই ছাড়াই লেখা পড়া আরো কত কি শুনুম

বাতাসঃ মোবাইলে খাওয়া-দাওয়া লেনদেন ঘুরাঘুরি কেনাকাটা সহ দুনিয়ার সব তথ জানা যায়।

চাচাঃ তাহলে মোবাইল একটি অনেক উপকারী জিনিস ঠিক আছে কিন্তু তুমরা আর কি কি কর সেইটা বল্লানা

রুমকিঃ অইটা আবার কি

ভাইস্তাঃ অইটা মনে হয় ইউটুব আর ফেইসবুক এর কথা বলছেন চাচা

চাচাঃ হ ভাইস্তা অইটার কথা বলছি, আজকালের পুলাপাইনেরা ত ফেইসবুক আর ইউটুব ছারা কিছুই বুঝে না

বাতাসঃ চাচা ইউটুব আর ফেইসবুক দিয়া তো ভিডিও গান আর চাট করে

চাচাঃ ঐটার কথাই তো বলছি চাট কর আর গান শুন সমস্যা নাই কিন্তু মাদকের মত আশক্ত হইওনা

তাহলে লেখা পড়া তো দুরের কথা ফেইসবুক লইয়াই বইসা থাকবা। লেখা পড়া আগে তারপর অবসর সময় ফেইসবুক টিক আছে বাবা রা

রুমকিঃ জি আংকেল আপনার কথ আসরন রাখব

চাচাঃ টিক আছে আমি যাই । আমি যাওয়ার পর তুমরা আবার এক হইয়া যাইওনা একটু দূরে দূরে থাইক্ক

সাবধানের মাইর নাই।

ভালবাসার  ঝগড়া

রচনা ও পরিচালনা –আলম লিটন

১ম সিকোয়েন্স –

লোকেশনঃগ্রামের রাস্তায়

অভিনেতাঃ রাজন, সাথী, কামাল ও তমাল

কামালঃ এই সাথী এই অসময়ে

সাথীঃ সুসময় না অসময় হেইডা তুর দেখার দকার নাই, তুই থাকস অন্ন গ্রামে এই গেরমে কি করস

কামালঃ তগর গেরামের এই তমালের কাছে আইছিলাম একটা কাজের জন্য তাই তগর বাড়ির সামনে দিয়া যাইতাছি

সাথীঃ ও আচ্ছা তো এই তমাইল্লা বদমাইসের সাথে তর কি কাজ

তমালঃ এই ছেমরি তুই আমারে বদমাইস কইবিনা কিন্তু,   আমি কি তুরে প্রেম নিবেদন করছি

সাথীঃ প্রেম নিবেদন না করলে কি আমার পিছে সারাদিন কুত্তার মত ঘুরস

তমালঃ তর পাওয়ার বেশি বাইরাগেছে, যাকে খুশি যা ইচ্ছা তা বলিস একটু সীমা থাকা দরকার, আমি সুন্দর না বইনা আমারে পছন্দ হয়না

কামালঃ এই তমাল চুপ কর… সাথীর পিছে ঘুরবিনা ও আমার কলেজের একমাত্র মেয়ে বন্ধু ওরে আমি ভালবাসি। ও আমার কলিজার টুকরা

তমালঃ অই হালার পুত তুরে আমি আনলাম আমার সাথে হেল্পার হিসেবে সাথীর সাথে দেখা করার জন্য আর উলটা আমারে ঝারি মারস তুই অরে ভালবাসস। তুরে মাইরা তর ২ডা টেং ভাইঙ্গা দিমু , যা সালার পুত এখান থাইক্কা।

কামালঃ বেশি ভালহইবনা বলছি তমাইল্লা বেশি বাইরা গেছচ, তর চামড়াডি বাদ কইরা হালামু বেত্তমিজ

তমালঃ খারা তরে আইজ আর ছারুম না

সাথীঃ এই সর্বনাশ  তরা থাম থাম আমার বড় ভাই আইতাছে, তরা দুইজনেই যদি আমারে ভালবাসস এখন শান্তশিস্ট ভদ্র ভাল ছেলে হয়ে যা , না হলে আমার উপায় নাই, মাইরাফালাইব, ঠিক আছে?

তমালঃ ওকে ওকে

কামালঃ ওকে আচ্ছা

রাজনঃ এই এখানে কি হয়েছে গেঞ্জাম কিসের

তমালঃ এই এদিক দিয়া যাচ্ছিলাম ভাই

রাজনঃ  এই দিক দিয়া যাইতাছ  সরকারী রাস্তা টিক আছে ,কিন্তু এত চিল্লাপাল্লা কিসের শব্দ শুনলাম

কামালঃএই যে ছেলেটিকে দেখতে পারছেন ওর নাম তমাল পাশের গ্রামে থাকে, সাথী যে কলেজে পড়ে সে ও ঐ কলেজেই পরে সে  কি যে গান শিক্ষা আইছে হেই গানের নাম হইছে রাপ আর ঐ  গান চিল্লা পাল্লা কইরা গাইতে হয়।

রাজনঃ  ওই সাথী তুই বাড়ি যা,  কি বলছিস গানের নাম রেপ,  রেপ ত হইল ধর্শন করা, এইডা আবার গানের নাম হইল কি কইরা

তমালঃ এইটা আমেরিকা ইংলিসের উলটা পালটা বানানের নাম । সবাই এইগানের না রেপ বলে তাই আমরাও বলি

রাজনঃ ও আচ্ছা তবে একটা গান শুনাও তো দেখি আমার ভাইজানেরা

তমালঃ শুনবেন ভাই

রাজনঃ  হা শুনুম গাও

তমালঃ গাইতাছি শুনেন

আমি অনেক পাপ করছি

আমারে মাইরালা

না হইলে পাপ মুইচ্চছা

আমারে ছাইরা দে

ভবের দেশে থাকুম না

অপারে চইলা জামু

বিদাতায় ডাকতাছে।।

হায়দার আলী | ঠাডা ইন্টারভিউ বরিশাইল্লা | Haydar Ali Comedy

ভালোবাসার দাম না দিলা | ঐশীর নতুন গান | Oyshee new song